মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

মহিপাল, ফেনী

শ্রেনী ভিত্তিক বিদ্যমান বিদ্যুতের মূল্যহার

গ্রাহক শ্রেণি

এনার্জি রেট/চার্জ

(টাকা/কিঃওঃঘঃ)

ডিমান্ড রেট/চার্জ

{(টাকা/কিঃওঃ(অনুমোদিত লোড)/মাস}

এলটি-এ আবাসিক

 

২৫.০০

লাইফ লাইনঃ ০-৫০ ইউনিট

৩.৬৮

প্রথম ধাপঃ ০-৭৫ইউনিট

৪.০০

দ্বিতীয় ধাপঃ ৭৬-২০০ ইউনিট

৫.৪৫

তৃতীয় ধাপঃ ২০১-৪০০ ইউনিট

৫.৭০

চতুর্থ ধাপঃ ৩০১-৪০০ ইউনিট

৬.০২

পঞ্চম ধাপঃ ৪০১-৬০০ ইউনিট

৯.৩০

ষষ্ঠ ধাপঃ ৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে

১০.৭০

এলটি-বিঃ সেচ/কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্প

৪.০০

১৫.০০

এলটি-সি ১ঃ ক্ষুদ্র শিল্প

৮.২০

১৫.০০ (লোড ২৫কিঃওঃ পর্যমত্ম) এবং ২৫.০০ (লোড ২৫কিঃওঃ এর ঊর্ধ্বে হলে)

এলটি- সি ২ঃ নির্মাণ

১২.০০

৮০.০০

এলটি-ডি ১ঃ শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতাল

৫.৭৩

২৫.০০

এলটি-ডি ২ঃ রাসত্মার বাতি, পানির পাম্প ও ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন

৭.৭০

৪০.০০

এলটি-ইঃ বাণিজ্যিক ও অফিস

১০.৩০

৩০.০০

এলটি-টিঃ অস্থায়ী

১৬.০০

১০০.০০

এমটি-১ঃ আবাসিক

৮.০০

৫০.০০

১০

এমটি-২ঃ বাণিজ্যিক ও অফিস

৮.৪০

৫০.০০

১১

এমটি-৩ঃ শিল্প

৮.১৫

৫০.০০

১২

এমটি-৪ঃ নির্মাণ

১১.০০

৮০.০০

১৩

এমটি-৫ঃ সাধারণ

৮.০৫

৫০.০০

১৪

এমটি-৬ঃ অস্থায়ী

১৫.০০

১০০.০০

১৫

এইচটি-১ঃ সাধারণ

৮.০০

৪০.০০

১৬

এইচটি-২ঃ বাণিজ্যিক ও অফিস

৮.৩০

৫০.০০

১৭

এইচটি-৩ঃ শিল্প

৮.০৫

৫০.০০

১৮

এইচটি-৪ঃ নির্মাণ

১০.০০

৮০.০০

১৯

ইএইচটি-১ঃ সাধারণ

৭.৯৫

৪০.০০

২০

ই এইচটি-২ঃ সাধারণ

৭.৯০

৪০.০০

 

১। এলটি-সি২ঃ নির্মাণ (আবাসন, বাণিজ্যিক ও শিল্প স্থাপনা, ব্রীজ, ফ্লাই ওভার, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ইত্যাদি)

২। এলটি-টি ঃ অস্থায়ী(স্বল্পস্থায়ী সামাজিক অনুষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের (যে সকল সংযোগ স্থায়ী সংযোগ রম্নপামত্মর হয় না))।

৩। এমটি-৪  ঃ নির্মাণ (যথাঃ আবাসন, বাণিজ্যিক ও শিল্প স্থাপনা, ব্রীজ, ফ্লাই ওভার, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ইত্যাদি)।

৪। এমটি-৫  ঃ সাধারণঃ বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্যান্টনমেন্ট, হাসপাতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, পাবলিক লাইব্রেরী, যাদুঘর, পানির পাম্প, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, রেলওয়ে, মেট্রোরেল, ইত্যাদি।

৫। এমটি-৬ ঃ অস্থায়ী (স্বল্পস্থায়ী সামাজিক অনুষ্ঠান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের (যে সকল সংযোগ স্থায়ী সংযোগ রম্নপামত্মর হয় না))।

৬। এইচটি-১ঃ সাধারণ (বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্যান্টনমেন্ট, হাসপাতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, পাবলিক লাইব্রেরী, যাদুঘর, পানির পাম্প, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বৃহৎ আবাসিক প্রকল্প, ইত্যাদি)।

৭। এইচটি-৪ঃ নির্মাণ(যথাঃ আবাসন, বাণিজ্যিক ও শিল্প স্থাপনা, ব্রীজ, ফ্লাই ওভার, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ইত্যাদি)।

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ এড়াতে যথাসময়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করম্নন

 

বিঃ দ্রঃ- বিদ্যুতের মূল্যহার সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও পরিবর্তনযোগ্য।

 

সম্মানিত গ্রাহক সদস্যগণের জ্ঞাতব্য বিষয়

  1. সান্ধ্য পিক-আওয়ারে (বিকাল ৫.০০ ঘটিকা হতে রাত ১১.০০ ঘটিকা পর্যমত্ম) বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।
  2. বিলম্ব মাশুল ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করম্নন এবং ঝামেলা মুক্ত থেকে বিদ্যুৎ সেবা উপভোগ করম্নন।
  3. বিদ্যুতের অপচয় রোধ কল্পে অফিস, আদালাত, কাঁচাবাজার, দোকান-পাট ও বাসা বাড়ি ইত্যাদিতে সিএফএল বাল্বের পরিবর্তে অধিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাল্ব ব্যবহার করম্নন এবং অধিক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করম্নন।
  4. সুপার মার্কেট, পেট্রোল পাম্প, সিএনজি গ্যাস স্টেশন ও বিপনি-বিতানগুলোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি ব্যবহার পরিহার করম্নন এবং  এয়ারকুলারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখুন।
  5. গ্রীড বিদ্যুতের পাশাপাশি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারে উদ্যোগী হউন।
  6. দিনের বেলায় জানালার পর্দা সরিয়ে রাখুন, সূর্যের আলো ব্যবহার করম্নন ও ঘর হতে বের হওয়ার সময় বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করম্নন। প্রয়োজন না হলে কম্পিউটার, টিভি, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখুন।
  7. বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করলে বিল কম দিতে হবে অর্থাৎ বিদ্যুৎ খরচ কম হলে আপনার লাভ-তথা দেশের লাভ।
  8. টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করম্নন। বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন।
  9. বৎসরামেত্ম পবিস হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।
  10. মিটার রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুষ্ঠু অবস্থা ও সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করম্নন।
  11. পার্শ্ব সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার বে-আইনী এবং ঝুঁকিপুর্ণ। পার্শ্ব সংযোগের তার ছিঁড়ে গিয়ে/লিক হয়ে তাৎক্ষনিক বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। পার্শ্ব সংযোগ প্রদান পরিহার করম্নন। বৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্য অফিসে যোগাযোগ করম্নন।
  12. হুকিং/অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে আর্থিক জরিমানা/ফৌজদারী মামলা হতে পারে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। সুতরাং অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিহার করম্নন।
  13. বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত করম্নন। পার্শ্ব সংযোগসহ বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য পবিসের সদর দপ্তর, সিপাহীপাড়া/মুন্সীগঞ্জ/ শ্রীনগর/সিরাজদিখান/টঙ্গীবাড়ী/লৌহজং জোনাল অফিসের এক অবস্থানে সেবা/অভিযোগ কেন্দ্র ও সংশিস্নষ্ট এলাকার এরিয়া অফিস/অভিযোগ কেন্দ্রে অবহিত করে অফিসকে সহযোগিতা করম্নন।
  14. গাছ কেটে বৈদ্যুতিক তারে ফেললে জীবনহানি ঘটতে পারে/বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নষ্ট হতে পারে। বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক বিদ্যমান লাইনের উভয় পার্শ্বে ১০ফুট করে গাছপালা কেটে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে গাছপালা কর্তনে অফিসকে সহযোগিতা করম্নন এবং বৈদ্যুতিক লাইনের নীচে ঝুঁকিপূর্ণ গাছপালা/লতা জাতীয় সবজি রোপণ পরিহার করম্নন।
  15. একটি সংঘবদ্ধ চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি/তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং আপনার এলাকার উপরোক্ত চুরি রোধে তথ্য দিয়ে অফিসকে সহযোগিতা করম্নন।
  16. অবৈধভাবে অটোরিক্সা/ইজিবাইকে বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং এর বিরম্নদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।
  17. সার্ভিস ড্রপ তার/বৈদ্যুতিক তারে কাপড় চোপড় শুকানো পরিহার করম্নন। বৈদ্যুতিক লাইনের টানা তার/খুঁটির সাথে গবাদি পশু বাঁধবেন না।
  18. বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটিতে ডিসের তার টানা এবং লাইনের কাছাকাছি ডিস এ্যান্টেনা স্থাপন পরিহার  করম্নন।
  19. বৈদ্যুতিক ছেঁড়া তার স্পর্শ করবেন না, ছেঁড়া তার হতে নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্যকে নিরাপদে রাখুন। বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেলে ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে আগুন লাগলে জরম্নরী ভিত্তিতে বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করম্নন। পোলের টানা তার স্পর্শ করবেন না।
  20. বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন হতে বিরত থাকুন। দুর্নীতি প্রতিরোধে অফিসকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করম্নন।
  21. বিদ্যুৎ একটি জাতীয় সম্পদ ইহার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি/কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে আর্থিক ভাবে লাভবান হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে ব্যবহার করার সুযোগ দিন এবং বিদ্যুতের ঘাটতি তথা লোড শেডিং মোকাবেলায় সরকারকে সহায়তা করম্নন।

 

 
 

ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে স্বনির্ভর হিসাবে গড়ে তুলুন।

 

 

 

 

 

 

(এক অবস্থানে সেবা)

পবিস সদর দপ্তর, জোনাল অফিসের ‘‘এক অবস্থানে সেবা’’ কেন্দ্রে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ/বিদ্যুৎ বিভ্রাট/বিল/মিটার/রম্নট লাইন স্থানামত্মর সংক্রামত্ম অভিযোগসহ সকল ধরণের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদ্সংক্রামত্ম তথ্য পাওয়া যাবে।

নতুন সংযোগ গ্রহণঃ

  1. নতুন সংযোগের জন্য ফেনী পবিসের অন-লাইন (www.fenipbs.org) হতে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করে অন-লাইনে সংযোগের জন্য আবেদন করম্নন।
  2. অন-লাইনে আবেদন পত্রটি যথাযথভাবে পূরণ পূর্বক প্রিন্ট আউট নিয়ে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ নির্ধারিত আবেদন ফি পবিসের ক্যাশ কাউন্টারে জমা প্রদান করে জমা রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।
  3. সমীক্ষা ফি জমা হওয়ার পর সদস্য সেবা বিভাগ কর্তৃক প্রাথমিক সমীক্ষা/যাচাই করে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্থানীয় উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কারিগরী সমীক্ষার পর লাইন নির্মাণসহ সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট/প্রাক্কলন ইস্যু করা হয়।
  4. ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হলে গ্রাহক কর্তৃক তা সরবরাহ করতে হবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  5. প্রাক্কলন জমা হওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লাইন নির্মানের পর ও গ্রাহকের নিজ দায়িত্বে অভ্যমত্মরীন ওয়্যারিং সম্পন্ন করণের পর তা পরিদর্শন সাপেক্ষ্যে আনুষাঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে গ্রাহকের আঙ্গিনায় মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেয়া হয়। সার্ভিস ড্রপের আওতায় আবাসিক সংযোগ ৭দিন এবং শিল্প সংযোগ ২৮দিনের মধ্যে প্রদান করা হয়।
  6. সমীক্ষা ফি সহ আবেদনের পর কোন কারণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভবপর না হলে যথাসম্ভব দ্রম্নত তার কারণ জানিয়ে আবেদনকারীকে অবহিত করা হয়।
  7. সংযোগের পর পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারি করা হয়।
  8. মহা পরিকল্পনার আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে অর্থ বৎসরের প্রথম দিকে মাইলেজ ও বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে লাইন নির্মাণের ডিজাইন ও স্টেকিং করা হয়।
  9. পরবর্তীতে ডিজাইন হওয়ার পর সদস্য হওয়া ও অফিস থেকে প্রযোজ্য ওয়্যারিং মালামাল গ্রহণ সাপেক্ষে লাইন নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হয়। এক্ষেত্রে লাইন নির্মাণের কোন অর্থ গ্রাহককে দিতে হবে না।
  10. লাইন নির্মানের পর ওয়্যারিং সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষে জামানত গ্রহণ করে মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেয়া হয়।

বিল সংক্রামত্ম অভিযোগঃ বিল সংক্রামত্ম যে কোন অভিযোগ যেমনঃ চলতি মাসের বিল পাওয়া যায় নি, বকেয়া বিল, অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য এক অবস্থানে সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিস্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী ০৭(সাত) দিনের মধ্যে নিস্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের ধাপঃ অন লাইলে আবেদন--> সমীক্ষা ফি সমীক্ষা জমা--> বৈদ্যুতিক পস্নান--> প্রাক্কলন গ্রহণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)--> ষ্টেকিং করণ-->চুক্তিপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)--> লাইন নির্মাণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)--> আভ্যমত্মরীণ ওয়্যারিং--> ওয়্যারিং পরিদর্শন--> জামানত গ্রহণ--> সিএমও--> সংযোগ প্রদান।

বিল পরিশোধঃ পবিস সদর দপ্তর, জোনাল অফিসের ক্যাশ কাউন্টারে অথবা সংশিস্নষ্ট এলাকার নির্ধারিত ব্যাংকে গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়াও এসএমএস ও ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ বিল আদায়ের কার্যক্রম শুরম্ন হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগঃ পবিস সদর দপ্তর, জোনাল অফিস অথবা সংশিস্নষ্ট এলাকার অভিযোগ কেন্দ্রে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে, আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতিঃ নির্ধারিত ফি সহ গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ওয়ারিশ সূত্রে/লিজ সূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের  মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও প্রযোজ্য জামানত গ্রহণ সাপেক্ষ্যে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

পার্শব সংযোগঃ কোন গ্রাহক কোন অবস্থাতেই পার্শ্ব সংযোগ প্রদান করতে পারবে না। পার্শ্ব সংযোগের আলামত পাওয়া গেলে পবিস এর বিধান মোতাবেক জরিমানা আরোপ ও পার্শ্ব সংযোগের ফলে পবিস এর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার কোন সরঞ্জমাদি নষ্ট হলে তার ১০০% মূল্যসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লোড পরিবর্তনঃ

  • নতুন ভাবে লোড পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নতুন চুক্তিপত্র সম্পাদন করে করতে হবে।
  • লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী লাইন আপগ্রেডের ব্যয় ও কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

 

 

ছবি


সংযুক্তি